A. Nayanㅤ
A. Nayan
15 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘তৎকালীন বেশিরভাগ জমিদার…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ সাধারণ📚 বই বাংলা📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ নাটক ও উপন্যাস🧩 অধ্যায় ১ম অধ্যায় — সিরাজউদ্দৌলা🔢 সৃজনশীল নং ৯৭🏫 বোর্ড ময়মনসিংহ বোর্ড📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

তৎকালীন বেশিরভাগ জমিদার ছিল অত্যাচারী, প্রজাপীড়ক। এদের মধ্যে ব্যতিক্রম ছিলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। তিনি ছিলেন প্রজাঅন্তঃপ্রাণ। কৃষ্ণচন্দ্র কোমল হৃদয়ের রাজা হলেও দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে ছিলেন আপসহীন।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ১

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"Victory or death"- এটি ক্লেটনের সংলাপ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়।”- উক্তিটিতে ভীরু ও প্রতারকেরা যে কখনো সাহস নিয়ে শত্রুর সামনে দাঁড়াতে পারে না এবং সম্মুখ সমরে আসতে পারে না সে কথাই বলা হয়েছে।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে পলাশির যুদ্ধের পরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কাছ থেকে সেনা সংগ্রহের জন্য অনেকেই টাকা নিয়েছিল। তারা টাকা নিয়ে পালিয়েছিল। এমনকি সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুর মুহম্মদ ইরিচ খাঁও সেনাবাহিনী সংগঠনের কথা বলে নবাবের কাছ থেকে প্রচুর টাকা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তারা পালিয়েছিল প্রাণের ভয়ে, প্রতারণা করে। এ প্রসঙ্গটি বোঝাতেই নবাব বলেছিলেন, "ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়। আর তাতে প্রকৃত বীরের মনোবল ক্ষুণ্ণ হয় না।"

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সিরাজউদ্দৌলার আপসহীন মনোভাবের দিক থেকে উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের অন্যতম প্রধান চরিত্র সিরাজউদ্দৌলা। দেশমাতৃকার প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা' ছিল। যেকোনো কিছুর বিনিময়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করার জন্য তিনি ছিলেন বদ্ধপরিকর।
উদ্দীপকে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের কথা বলা হয়েছে। তিনি ছিলেন কোমল হৃদয়ের অধিকারী। তবে দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন। দেশের প্রতি এমন গভীর টান 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের মধ্যেও দেখা যায়। তিনি হাজারো উৎপাত সত্ত্বেও দেশকে কখনো ইংরেজদের হাতে তুলে দেননি। এমনকি রাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁর বিরুদ্ধে গেলেও তিনি দেশমাতৃকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়ে গেছেন। দেশপ্রেমের এরূপ দৃষ্টান্ত উদ্দীপকেও রয়েছে। এভাবেই উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

দেশের প্রতি অপার টানের দিক থেকে "স্বাধীনতার প্রশ্নে আপসহীন" কথাটির আলোকে উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি বিশ্লেষণ করা যায়।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি সিরাজউদ্দৌলার অমোঘ দেশপ্রেমের আখ্যান। তৎকালে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার ওপর ইংরেজদের থাবা পড়ে। নানা ধরনের সমস্যা ও সংশয় থাকার পরও সিরাজউদ্দৌলা তাদের হাতে বাংলাকে তুলে দেননি।
উদ্দীপকে কোমল হৃদয়ের অধিকারী রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের কথা বলা হয়েছে। তিনি ছিলেন প্রজাঅন্তঃপ্রাণ। তিনি কোমল হৃদয়ের রাজা হলেও দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে ছিলেন আপসহীন। উদ্দীপকের রাজার মতো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজও দেশের প্রতি ছিলেন আবেগী। তিনি কোনোকিছুর বিনিময়েই দেশের স্বাধীনতা খর্ব করেননি। বরং শক্ত হাতে দেশকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন।
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ জানতেন রাজ্যের সভাসদরা তাঁর বিপক্ষে। তারপরও তিনি তাদের অনুরোধ করেন দেশকে রক্ষা করার। মাত্র কয়েকজন বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে নিয়ে তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমে পড়েন। তিনি তাঁর জীবনের শেষ নিশ্বাস থাকা পর্যন্ত লড়ে যান, তারপরও ইংরেজদের সঙ্গে আপস করেননি। এসব বিবেচনায় বলা যায়, স্বাধীনতার প্রশ্নে সিরাজ ও রাজা কৃষ্ণচন্দ্র আপসহীন।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘তৎকালীন বেশিরভাগ জমিদার…’ ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫ – সিরাজউদ্দৌলা, নাটক ও উপন্যাস, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)”