| ㅤ | A. Nayan18 Oct 2026 (1 week ago) |
সৃজনশীলঃ ‘ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্ত…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২২ – বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)

ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্ত একটি বিশেষ নামে পরিচিত, যেখানে বিনা বাধায় বিমান চলাচল করতে পারে। এর উপরে স্ট্রাটোমন্ডলে একটি বিশেষ অংশ রয়েছে যাকে ‘পৃথিবীর সৌর পর্দা’ বলে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৪
বায়ুদূষণের একটি উৎসের নাম হলো- ইটভাটা।
এইস্তরেভূপৃষ্ঠথেকেওপরেরদিকেউচ্চতাবাড়ারসঙ্গেসঙ্গেবায়ুমণ্ডলেরতাপমাত্রাহ্রাসপায়।এইতাপমাত্রাহ্রাসেরহারসাধারণভাবেপ্রতি১০০মিটারউচ্চতায়০.১°সেন্টিগ্রেডবাপ্রতি১০০০মিটার (১ কিমি)উচ্চতায়৬.৫°সেন্টিগ্রেড।সাধারণতপ্রতি১,০০০মিটারউচ্চতায়৬.৪সেলসিয়াসতাপমাত্রাহ্রাসপায়।একেতাপহ্রাসহারবলে।বায়ুমণ্ডলেরপ্রতিটিস্তরেরতাপমাত্রাভিন্নথাকে।এইতাপমাত্রাকমবেশিউচ্চতারওপরঅনেকটানির্ভরকরে।
এই ট্রপোস্ফিয়ারের ইঙ্গিকৃত বিশেষ অংশের নাম ট্রপোপজ। নিচে এর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো:
ট্রপোস্ফিয়ার এবং স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার এই দুই বায়ুস্তরের সীমা নির্দেশক সংযোগকারী উপস্তরকে ট্রপোপজ বলে । ট্রপোস্ফিয়ারের বায়ুস্তর এই অঞ্চলে এসে থেমে যায়, তাই একে ট্রপোপজ বলে । গ্রীক শব্দ “Tropos” এর অর্থ ‘পরিবর্তন’ ও “Pause” এর অর্থ ‘থেমে যাওয়া’।ট্রপোপজ বিস্তার মেরু অঞ্চলে ৮-১০ কিমি ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে ১৮-২০ কিমি উচ্চতায় ।
এ স্তরে জেট বিমান চলাচল করে, বায়ু স্থির থাকে, এ স্তরের গভীরতা ১.৬ কি.মি. বায়ুমন্ডলের এ অংশে উষ্ণতার কোনো তারতম্য হয় না। ঝড় বৃষ্টির প্রাদুর্ভাব নেই। এ স্তরটি ট্রপোস্ফিয়ারের অন্তর্ভুক্ত। এ স্তরকে সমোষ্ণ রেখাও বলে। স্তরটি ট্রপোস্ফিয়ারের শেষ স্তর, ট্রপোপজ শব্দটি আবিষ্কর করেন স্যার ন্যাপিয়ার শ, ট্রপোপজ ট্রপোস্ফিয়ার ও ট্রপোস্ফিয়ারের পৃথককারী অংশের নাম। এখানে বায়ুর তাপমাত্রা৬০° সে. হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে শেষ অংশের স্তরটি হলো ওজোনমণ্ডল। নিচে এ স্তরের গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
ওজোন স্তর (Ozone layer) হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের একটি স্তর যেখানে তুলনামূলকভাবে বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে। এই স্তর থাকে প্রধানত স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের নিচের অংশে, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে কমবেশি ২০-৩০ কিমি উপরে অবস্থিত। এই স্তরের পুরুত্ব স্থানভেদে এবং মৌসুমভেদে কমবেশি হয়।
ওজোনস্তর সূর্যরশ্মির অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে থাকে। এ স্তরটি না থাকলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির দহনে পৃথিবীর মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী বসবাসের জন্য উপযোগী হতো না। যদি এ অতিবেগুনি রশ্মি অতিমাত্রায় ভূপৃষ্ঠে অনুপ্রবেশ করে তাহলে সকল জীবসত্তার অস্তিত্ব ধ্বংস করে দেবে এবং জীব অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। শুধু তাই নয়, ক্যান্সার জাতীয় রোগের প্রাদুর্ভাব প্রকট আকারে দেখা যাবে। ফলে মানবকুলের অধিক প্রাণহানি ঘটবে। তাই প্রাণিকুলকে টিকিয়ে রাখতে এ স্তরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ স্তরে ধূলিবালি, জলীয়বাষ্প প্রভৃতি পদার্থ অতিসামান্য পরিমাণে থাকে।