A. Nayanㅤ
A. Nayan
16 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘তথ্যপ্রযুক্তির কারণে ‘K’…’ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ২০২৬ – ই, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই পৌরনীতি ও সুশাসন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ পৌরনীতি ও সুশাসন🧩 অধ্যায় ৪র্থ অধ্যায় — ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন🔢 সৃজনশীল নং ২৯🏢 প্রতিষ্ঠান আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তির কারণে ‘K’ রাষ্ট্রে সরকারি সেবাসমূহ জনগণের কাছে দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে। তথ্য সংগ্রহের জন্য জনগণকে আর কোথাও ছুটে যেতে হয় না। ফলে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৪

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

জনসেবা হলো আত্মস্বার্থ বিসর্জন দিয়ে অন্যের কল্যাণে কাজ করা।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

সারা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত, পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অনেকগুলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমষ্টি যা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং যেখানে এক প্রামাণ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্যাটা আদান-প্রদান করা হয় তাকেই ইন্টারনেট বলে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা ওয়েব সাইট ব্রাউজিং করতে পারি, ই-মেইল পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারি, বাস, ট্রেন বা প্লেনের টিকিট বুকিং দিতে পারি, ইলেকট্রনিক কমার্স, ই-ব্যাংকিং ও শপিং করতে পারি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

'K' রাষ্ট্রের জনগণ ই-গভর্ন্যান্স ব্যবস্থার সুফল ভোগ করছে। ই-গভর্ন্যান্স সাম্প্রতিককালের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। এর প্রয়োগক্ষেত্র মূলত তিনটি-ই-প্রশাসন, ই-সেবা ও ই-গণতন্ত্র। বর্তমানে রাষ্ট্র পরিচালনায় যতগুলো পদ্ধতি রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স। উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' রাষ্ট্রে সরকারি সেবাসমূহ জনগণের কাছে দ্রুত পৌঁছে যাচ্ছে। তথ্য সংগ্রহের জন্য তাদেরকে অন্য কোথাও ছুটে যেতে হচ্ছে না বলে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। এসবই ই-গভর্ন্যান্সের সুফলের প্রতিফলন। ই-গভর্ন্যান্সে সরকারি সেবাসমূহ জনগণের কাছে পৌঁছায় ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে। এতে সময় ও শ্রম হ্রাস পায়। এ ব্যবস্থায় তথ্যের অবাধ প্রবাহ ঘটে। তথ্য সরবরাহের জন্য জনগণকে কোনো ধরনের বাধার সম্মুখীন হতে হয় না। অনলাইনে তথ্য সরবরাহ করা হয় বলে জনগণকে আর অফিস বা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দৌড়াতে হয় না। যখন ইচ্ছা তখনই অনলাইন বা ইন্টারনেট থেকে তথ্য পাওয়া যায় বলে সময়ের সাশ্রয় হয়। অনলাইনের মাধ্যমে কম সময়ে ও কম অর্থ ব্যয়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা যায়। ফলে আর্থিক আদান-প্রদানের খরচ সাশ্রয় হয়। সময় ও অর্থ সাশ্রয় হওয়া এবং ভোগান্তি কম হওয়ায় জনগণ-ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে সুফল ভোগ করে থাকে।  

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবস্থা বা ই-গভর্ন্যান্স পদ্ধতি দুর্নীতি প্রতিরোধে অত্যন্ত সহায়ক। ই-গভর্ন্যান্সের মূল উদ্দেশ্য হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, জনগণের প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। এটি মূলত আলাদা কোনো তত্ত্ব বা বিধান নয় বরং এটি হলো প্রচলিত পদ্ধতির শাসনব্যবস্থায় আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার। উদ্দীপকে দেখা যায়, তথ্যপ্রযুক্তির কারণে 'K' রাষ্ট্রের জনগণ নানা ধরনের সুফল ভোগ করছে। এর পিছনে মূলত ভূমিকা রেখেছে ই-গভ্যর্ন্যান্স। এ ব্যবস্থা দুর্নীতি প্রতিরোধেও অত্যন্ত সহায়ক। ই-গভর্ন্যান্সে প্রশাসনিক কাজকর্মগুলো হয় মূলত প্রযুক্তিনির্ভর। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি অনলাইনে ও কম্পিউটারে সংরক্ষিত থাকে। এতে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় এবং দুর্নীতি হ্রাস করা সম্ভব হয়। এ প্রক্রিয়ার সাহায্যে ই-টেন্ডারিংয়ের মাধ্যমে দুর্নীতি ও অসৎ উপায় প্রতিহত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়। জনগণ খুব সহজেই প্রশাসন ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ সম্পর্কে জানতে পারে ই-গভর্ন্যান্স প্রক্রিয়ায়। ফলে প্রশাসন লোকচক্ষুর অন্তরালে কোনো কাজ করতে পারে না। এতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে দুর্নীতি দমন করা আবশ্যক। ই-গভর্ন্যান্সের দ্বারা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির বদৌলতে দুর্নীতিকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব। তাই আমি মনে করি যে, ই-গভর্ন্যান্স ব্যবস্থা দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘তথ্যপ্রযুক্তির কারণে ‘K’…’ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ২০২৬ – ই, পৌরনীতি ও সুশাসন, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (এইচএসসি)”