A. Nayanㅤ
A. Nayan
22 Jun 2026 (4 months ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘উদ্দীপক অংশ-১ :…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৬ – কপোতাক্ষ নদ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)


🏢 প্রতিষ্ঠান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা📅 সাল ২০২৬⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

উদ্দীপক অংশ-১ : বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লি মায়ের কোল, ঝাউশাখে যেথা বনলতা বাঁধি হরষে খেয়েছি দোল। কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচাপাকা কুল খেয়ে, অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালী মেয়ে। পৌষ-পার্বণে পিঠা খেতে বসে খুশিতে বিষম খেয়ে, আরো উল্লাস বাড়িয়াছে মনে মায়ের বকুনি পেয়ে।

উদ্দীপক অংশ-২ : সার্থক জনম আমার, জন্মেছি এই দেশে সার্থক জনম, মা গো, তোমায় ভালোবেসে।। জানি নে তোর ধনরতন আছে কি না রানীর মতন, শুধু জানি আমার অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER
০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

"কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে"- চরণটিতে জন্মভূমির প্রতি কবির গভীর অনুরাগ ও দেশপ্রেমকে বোঝানো হয়েছে।

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় তাঁর গভীর অনুভবে প্রবাসে থেকেও কপোতাক্ষ নদের জলধারার কলকল ধ্বনি শুনতে পান। তাঁর সমস্ত স্নেহতৃষ্ণার জল যেন বুকে ধারণ করে বয়ে চলছে কপোতাক্ষ। পৃথিবীর বহু দেশ ঘুরে বহু নদ-নদী তিনি দেখেছেন। তবু কপোতাক্ষকে তিনি ভুলতে পারেন না। কারণ কপোতাক্ষ তাঁকে যে মাতৃস্নেহে জড়িয়ে রেখেছে তা পৃথিবীর অন্য কোনো নদ-নদী পারেনি। এই নদ যেন কবিকে মায়ের স্নেহডোরে বেঁধে রেখেছে। তাই সেই নদের স্নেহধারা পেতে তিনি ব্যাকুল হন। কপোতাক্ষের জলে তাঁর স্নেহের তৃষ্ণা নিবারণ করতে চান। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের সঙ্গে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার সাদৃশ্যগত অনুভূতিটি হলো জন্মভূমি বা জন্মস্থানের প্রতি কবির স্মৃতিকাতরতা।

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবি শৈশবে যে নদের তীরে বেড়ে উঠেছেন সেই কপোতাক্ষের কথা বলেছেন। তিনি ফ্রান্সে থাকাকালীন তাঁর শৈশব-কৈশোরের নদকে স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়েছেন। সুদূর প্রবাসে বসেও তিনি কপোতাক্ষের কলকল ধ্বনি শুনতে পেয়েছেন।

উদ্দীপকের কবি বহুদিন পর তাঁর পল্লিমায়ের কোলকে স্মরণ করেছেন। ঝাউশাখে যেখানে তিনি বনলতা বেঁধে আনন্দে দোল খেয়েছেন। কাটার আঘাত সয়েও কাঁচা-পাকা কুল খেয়ে অমৃতের স্বাদ লাভ করেছেন। খুশিতে পৌষ-পার্বণে পিঠা খেতে বসে বিষম খেয়ে মায়ের বকুনি পেয়ে যেন তাঁর উল্লাস আরও বেড়ে গিয়েছিল। অতীতের এই স্মৃতিগুলো স্মরণ করার মাধ্যমে কবির মধ্যে মূলত স্মৃতিকাতরতা প্রকাশ পেয়েছে। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায়ও এ বিষয়টি প্রতিফলিত হয়। কবিতাটিতে কবি প্রবাসে অবস্থান করে স্বদেশের কপোতাক্ষ নদকে স্মরণ করেছেন। শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত এই নদকে বারবার স্মরণ করে তিনি আবেগে আপ্লুত হয়েছেন, যা তাঁর স্মৃতিকাতরতাকেই নির্দেশ করে। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকের ii-এর দেশপ্রেমের সাথে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার স্মৃতিকাতরতার আবরণে প্রকাশিত দেশপ্রেমের সাদৃশ্য থাকায় "উদ্দীপক ii-এ ফুটে ওঠা দিকটি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূল সুর"-মন্তব্যটি সমর্থনযোগ্য।

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির স্মৃতিকাতরতার আবরণে অত্যুজ্জ্বল দেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। তিনি প্রবাস জীবনেও কপোতাক্ষ নদকে ভেবে কাতর হয়েছেন। দেশমাতৃকার প্রতি অকুণ্ঠ প্রেম যে মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি এ কবিতায় তাই ধরা পড়েছে।

উদ্দীপকের কবিকণ্ঠে স্বদেশের বন্দনা ধ্বনিত হয়েছে। তিনি মনে করেন, এ দেশে জন্মগ্রহণ করে, এ দেশকে ভালোবাসতে পেরে তার জীবন সার্থক। স্বদেশের ধন-সম্পদ নয়, বরং সামান্য আশ্রয়েই তিনি তৃপ্ত। এ বিষয়টি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় প্রকাশিত কবির দেশপ্রেমের দিকটির প্রতিনিধিত্ব করে। 

দেশপ্রেম মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি, যা উদ্দীপক ও 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূল প্রতিপাদ্য। উদ্দীপকের কবি যেমন মনে করেন দেশকে ভালোবেসে, দেশে জন্মগ্রহণ করেই তার জীবন সার্থক, তেমনই 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবিও স্বদেশের প্রতি হৃদয়ের কাতরতা প্রকাশ করেছেন। দূরে বসেও স্বদেশে কাটানো শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি তাঁর হৃদয়কে কাতর করেছে। তাই বলা যায়, "উদ্দীপক ii-এ ফুটে ওঠা দিকটিই 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূল সুর।”- এ মন্তব্যটি সমর্থনযোগ্য।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
1 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘উদ্দীপক অংশ-১ :…’ রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ ২০২৬ – কপোতাক্ষ নদ, পদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এসএসসি)”