| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘উদ্ভিদের পাতায় অবস্থিত…’ কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩ – উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

উদ্ভিদের পাতায় অবস্থিত একটি রন্ধ্রের মাধ্যমে পানি তরলাকারে নির্গত হলেও অন্য আরেকটি রন্ধ্রের মাধ্যমে পানি বাষ্পাকারে নির্গত হয় এবং রন্ধ্রটির খোলা ও বন্ধ হওয়া রক্ষী কোষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ৯
অন্তঃত্বকের নিচে এবং ভাসকুলার বান্ডলের বাইরে এক বা একাধিক স্ত্রে বিন্যস্ত টিস্যুকে পেরিসাইকেল বলা হয়।
ETS এ ATP তৈরির প্রক্রিয়াকে অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন বলা হয়। ETS মাইটোকন্ড্রিয়ার ক্রিস্টিতে ঘটে। গ্লাইকোলাইসিস অ্যাসিটাইল Co-A সৃষ্টি এবং ক্রেবস চক্রে উৎপন্ন NADPH+ H+ এবং FADH2, ETS এর মাধ্যমে Oxidised হয়ে পুণরায় NAD ও FAD এ পরিণত হয়। ETS-এ ইলেকট্রন প্রবাহকালে প্রতি NADH+H+ হতে তিনটি এবং প্রতি FADH2
হতে দুটি ATP উৎপন্ন হয়। ETS এ ATP উৎপন্ন প্রক্রিয়া হল অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন।
উদ্দীপকের প্রথমোক্ত রন্ধ্রটি পানি-পত্ররন্ধ্র বা হাইডাথোড। পানিপত্ররন্ধ্র এক বিশেষ ধরনের পানি নির্মোচন অঙ্গ। কচু, টমেটো ইত্যাদি গাছের পাতার কিনারায় প্রচন্ড গরমের দিন দিন পানির ফোটার সারি দেখা যায়। বিশেষ পরিস্থিতিতে উদ্ভিদ দেহ থেকে পানি এই রন্ধ্রের মাধ্যমে পরিত্যক্ত হয়। এর শীর্ষে রক্ষীকোষে আবদ্ধ একটি রন্ধ্র থাকে রন্ধ্রের নিচে গহ্বর রয়েছে। গহ্বরের নিচে অনেকগুলো অসংলগ্ন কোষ থাকে, এগুলোকে এপিথেন বা এপিথেলিম বলা হয়। এপিথেলিয়ামের ঠিক নিচে ট্রাকিডের থিক শেষপ্রান্ত অবস্থিত। মূলজ চাপে পানি ট্রকিডের শেষ প্রান্ত দিয়ে এপিথেলিয়ামের মাধ্যমে বিন্দু আকারে রন্ধপথে জনা হয়। ভোরে জলবিন্দু দেখা যায়। হাইডাথোড দিয়ে পানি বের হয়ে যাওয়াকে গাটেশন বলা হয়।
উদ্দীপকের শেষোক্ত বাক্যটি হলো- “পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়া রক্ষীকোষ নিয়ন্ত্রণ করে”। এর ব্যাখ্যা হলোঃ
পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার কৌশল (Mechanism of opening and closing of stomata):
পত্ররন্ধ্রায় প্রস্বেদনের সবচেয়ে উপযোগী অংশ হলো পত্ররন্ধ্র। রক্ষীকোষ দ্বয়ের পত্ররন্ধ্র সংলগ্ন প্রাচীর বেশ পুরু কিন্তু বহির্ভাগের অর্থাৎ বহিঃত্বক কোষ সংলগ্ন প্রাচীর বেশ পাতলা হয় এবং এদের মধ্যে একটি করে বড় নিউক্লিয়াস এবং কিছু ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে। রক্ষীকোষ দ্বয়ের স্ফীত অথবা শিথিল অবস্থা পত্ররন্ধ্রের খোলা বা বন্ধ হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন শরীরবৃত্তীয় কারণে রক্ষীকোষে অন্তঃঅভিস্রবণ ও বহিঃঅভিস্রবণ ঘটে থাকে।রক্ষীকোষদ্বয় পার্শ্বস্থ বহিঃত্বক কোষ হতে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয় এবং এর ফলে রন্ধ্র সংলগ্ন পার্শ্ব প্রাচীর পুরু হাওয়ায় সেদিকে বেঁকে যায় এবং রন্ধ্র খুলে যায়। অপরপক্ষে বহিঃঅভিস্রবণের ফলে রক্ষীকোষদ্বয় স্ফীতি হারিয়ে শিথিল হয়ে পড়ে, ফলে রন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়। কাজেই দেখা যায়, পত্ররন্ধ্রের খোলা ও বন্ধ হওয়া রক্ষীকোষদ্বয়ের গঠন ও স্ফীতির উপর নির্ভরশীল। আলো, তাপ, বায়ুমণ্ডলের আদ্রতা প্রভৃতি কারণ রক্ষীকোষদ্বয়ের স্ফীতি ও শিথিল হওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।
চিত্রঃ পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার কৌশল