| ㅤ | A. Nayan12 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘উদ্ভিদকোষে এমন একটি…’ সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ২০২৪ – কোষ ও এর গঠন, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)

উদ্ভিদকোষে এমন একটি আবরণ বিদ্যমান, যা তাদের অনন্য বৈশিষ্ট্য। এছাড়া অপর এক ধরনের ঝিল্লি বিদ্যমান যা প্রধানত লিপোপ্রোটিন দ্বারা গঠিত ।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১
কতক বস্তু লাইসোসোমের ঝিল্লিকে স্থিতি দান করে যার ফলে লাইসোসোম থেকে এনজাইমসমূহ বের হয়ে আসতে পারে না। এদেরকে বলা হয় লাইসোসোম (dabilizer) যেমন- কোলেস্টেরল, কর্টিজেন।
অল্টারনেটিভ স্পাইসিং প্রক্রিয়ায় একটি Pre-mRNA থেকে ভিন্ন ভিন্ন প্রকৃতির চূড়ান্ত mRNA তৈরি করে থাকে। ফলে একটি জিন থেকে একাধিক পলিপেপ্টাইড তৈরি হতে পারে। একারণেই মানুষের ২০,০০০ জিন প্রায় ১,০০,০০০ প্রকার প্রোটিন তৈরি করতে সক্ষম হয়।
উদ্দীপকে কোষপ্রাচীর ও কোষঝিল্লির কথা বলা হয়েছে। উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় কাজে এদের ভূমিকা রয়েছে।
প্রতিটি উদ্ভিদকোষ একটি অপেক্ষাকৃত শক্ত ও জড় আবরণ দিয়ে আবৃত থাকে। এ জড় ও শক্ত আবরণকে কোষ প্রাচীর বলে। কোষ প্রাচীর উদ্ভিদকোষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
কোষ প্রাচীরের কাজ: (1) কোষের সুনির্দিষ্ট আকৃতি দান করা। (।।) বাইরের আঘাত হতে ভেতরের সজীব বস্তুকে রক্ষা করা; (iii) প্রয়োজনীয় শক্তি ও দৃঢ়তা প্রদান করা। (iv) পানি ও খনিজ লবণ শোষণ ও পরিবহণে সহায়তা করা; (v) এক কোষকে অন্য কোন হতে পৃথক করা: (১৮) কোষ প্রাচীরের কূপ এলাকা (ছিদ্র পথ) দিয়ে প্রয়োজনীয় বস্তু কোষের ভেতরে বা বাইরে চলাচল করে থাকে এবং (৬১) বহিঃ ও অগ্র উদ্দীপনার পরিবাহকরূপে প্লাজমোডেসমাটা কাজ করে।
প্রোটোপ্লাজম (Protoplasm) হলো কোষের অভ্যন্তরের অর্ধস্বচ্ছ, আঠালো এবং জেলির ন্যায় অর্ধতরল, কলয়ডালধর্মী সব্জীব পদার্থকে প্রোটোপ্লাজম বলে।
বিজ্ঞানী হাক্সলে (Huxley)-এর মতে প্রোটোপ্লাজম হচ্ছে জীবনের ভৌত ভিত্তি। কারণ প্রোটোপ্লাজমই কোষের তথা দেহের সকল মৌলিক জৈবিক কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে। এ জন্যই প্রোটোপ্লাজমকে জীবনের ভৌত ভিত্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এতে (৭০% - ৯০% পানি থাকে।
কোষঝিল্লির কাজ:
(i) এটি কোষীয় সব বস্তুকে ঘিরে রাখে।
(ii) বাইরের প্রতিকূল অবস্থা হতে অভ্যন্তরীণ বস্তুকে রক্ষা করে।
iii) কোষঝিল্লির মধ্যদিয়ে বস্তুর স্থানান্তর, ব্যাপন নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় (control and coordinate) হয়। ( (iv) ঝিল্লিটি একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করে যাতে বিশেষ এনজাইম এতে বিন্যস্ত থাকতে পারে।
(v) ভেতর থেকে বাইরে এবং বাইরে থেকে ভেতরে বস্তু স্থানান্তর করে।
৬(স) বিভিন্ন বৃহদাণু (macro-molecule) সংশ্লেষ করতে পারে।
(vii) বিভিন্ন রকম তথ্যের ভিত্তি (information source) হিসেবে কাজ করে।
(viii) পারস্পরিক বন্ধন, বৃদ্ধি ও চলন ইত্যাদি কাজেও এর ভূমিকা আছে।
(ix) ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় কঠিন ও পিনোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় তরল বস্তু গ্রহণ করে।
( x) এনজাইম ও অ্যান্টিজেন ক্ষরণ করে।
(xi) কোষের বাইরে থেকে নিউরোট্রান্সমিটার, হরমোন ইত্যাদি রূপে তথ্য সংগ্রহ করে।
( xii) স্নায়ু উদ্দীপনা সংবহন করে।
(xiii) ব্যাকটেরিয়ার কোষঝিল্লি ভাঁজ হয়ে মেসোসোম সৃষ্টি করে যা শক্তি উৎপাদন করে। (xiv) গ্লাইকোক্যালিক্স কোষের চিহ্নিত (recognizer) হিসেবে কাজ করে।