| ㅤ | A. Nayan13 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘ভাত ও মাছ…’ রাজশাহী বোর্ড ২০২৩ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)

ভাত ও মাছ আমাদের দেহগঠনের প্রধান উপাদান এবং একটি ‘বড় গ্রন্থি’ এদের বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রখে।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
২য় পত্র · অধ্যায় ৩
পিত্তরস স্নেহজাতীয় খাদ্যকে ভেঙে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত করে। এই প্রক্রিয়াকে ইমালসিফিকেশন বলে।
আদর্শ দৈহিক ওজনের ২০% বা তারও বেশি পরিমাণ মেদ দেহে সঞ্চিত হলে তাকে স্থূলতা বলে। ব্যক্তি পর্যায়ে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ, কিন্তু পর্যাপ্ত কায়িক পরিশ্রম না করাকে স্থূলতার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম উপাদানটি হলো ভাত যা শর্করা জাতীয় খাদ্য। নিচে শর্করা জাতীয় খাদ্যের পরিপাক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো:
শর্করা পরিপাক: লালা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালা রসে টায়ালিন ও মল্টেজ নামের শর্করা বিশ্লেষী এনজাইম পাওয়া যায়। এগুলো জটিল শর্করাকে মল্টোজ এবং সামান্য মল্টোজকে গ্লুকোজ এ পরিণত করে। টায়ালিনের ক্রিয়া মুখগহ্বরে শুরু হলেও এর পরিপাক ক্রিয়া সংগঠিত হয় পাকস্থলীতে।
উদ্দীপকের উল্লেখিত বড় গ্রন্থিটি হলো যকৃত। বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় এর ভূমিকা নিচে আলোচনা করা হলো:
১.শর্করা বিপাক: যকৃত দেহের প্রয়োজনে অতিরিক্ত গ্লুকোজ কে গ্লাইকোজেন-এ রূপান্তর করে যা গ্লাইকোজেনেসিস প্রক্রিয়া নামে পরিচিত। আবার যকৃতের সঞ্চিত গ্লাইকোজেনের ঘাটতি পড়লে এখানে অশর্করা উৎস যেমন -প্রোটিন ও ফ্যাট হতে শর্করা প্রস্তুত হয়।
২.ফ্যাট বিপাক: যকৃত কোষ অতিরিক্ত শর্করাকে ফ্যাট এ রূপান্তর করে, রক্তের কোলেস্টেরলকে ভাঙ্গে অথবা সংশ্লেষ করে।
৩.প্রোটিন বিপাক: যকৃত ডিএমাইনেশন প্রক্রিয়ায় প্রোটিন থেকে প্রাপ্ত এমাইনো এসিড কে ভাঙ্গে। আবার ট্রান্স-অ্যামাইনেশন প্রক্রিয়ায় অ্যামিনো এসিড থেকে এমাইনো গ্রুপকে বহন করে অন্য কোন জৈব এসিডেই স্থানান্তর করে।