| ㅤ | A. Nayan15 Oct 2026 (2 weeks ago) |
সৃজনশীলঃ ‘ভয় করেনি কার্ফ্যু…’ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২০২৬ – যৌবনের গান, গদ্য, বাংলা ১ম পত্র (এইচএসসি)

ভয় করেনি কার্ফ্যু জারি বারুদ ভরা নলকে
মিছিল সভায় গর্জে ওঠে ঝলকে।
রাষ্ট্রভাষা বাংলাকে চাই আমরা বাঙাল পুত্র
তাই পেয়ে যায় জিন্না দলে রক্ত খাবার সূত্র
মিছিল দেখে চালায় গুলি চালায় টিয়ার শেল
ছাত্র যুবক বন্দি করে ভরল ঢাকার জেল।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১ম পত্র · অধ্যায় ১২
বার্ধক্যকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না।
নিঃস্বার্থ সেবার মধ্যে লেখক 'যৌবনের মাতৃরূপ' প্রত্যক্ষ করেছেন।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক যৌবনের শক্তি, উৎসাহ ও অটল সাধনাকে দেখেছেন, যা মৃত্যুকেও পরোয়া করে না এবং নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করে। যৌবনের যে মাতৃসুলভ গুণাবলি, যেমন- ত্যাগ, সেবা এবং অন্যকে সুরক্ষা দেওয়া তা লেখক যৌবনের কর্মময় জীবনের মাধ্যমে, বিশেষত নিঃস্বার্থ সেবার কাজের মধ্যে দেখেছেন। অর্থাৎ লেখক যৌবনের কোমল সেবাপরায়ণতার মধ্যে 'যৌবনের মাতৃরূপ' প্রত্যক্ষ করেছেন।
উদ্দীপকের ছাত্রজনতার দুরন্ত-দুর্বার প্রাণশক্তির দিকটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বর্ণিত যৌবনের অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতার দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
"যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করেছেন। দুরন্ত উদ্দীপনা ও অটল সাধনার প্রতীক যৌবন সকল সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্ন করে সমাজ প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্ত জীবনের দিকে এগিয়ে যায়।
উদ্দীপকে যৌবনের দুরন্ত-দুর্বার প্রাণশক্তির দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। তারা কার্য্য জারি, বারুদ ভরা নল, টিয়ারশেল কিংবা জেল-জুলুমকে পরোয়া না করে মাতৃভাষার সম্মান রক্ষায় এগিয়ে চলে। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধেও লেখক তরুণদের অফুরন্ত প্রাণচাঞ্চল্যের কথা উল্লেখ করেছেন। তারা সকল প্রকার রক্ষণশীলতা, জড়তা ও পশ্চাৎপদতা পেছনে ফেলে নতুন জগৎ রচনার সাধনায় অগ্রসর হয়। এদিক থেকে উদ্দীপকের সাথে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকে 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের বার্ধক্যের রক্ষণশীলতা, জড়তা, বিষয়ের ইঙ্গিত না থাকায়, উদ্দীপকটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের লেখকের মনোভাব পুরোপুরি তুলে ধরতে পারেনি।
'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক জড়তা, রক্ষণশীলতা ত্যাগ করে অগ্রগতির পথে এগিয়ে চলার জন্য যুবকদের উদাত্ত আহ্বান করেছেন। কেননা যৌবন মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়।
উদ্দীপকে ছাত্র-জনতার অমিত-সাহসের দিকটি ফুটে উঠেছে। তারা পুলিশ বাহিনীর সকল বাধাবিপত্তি উপেক্ষা করে মাতৃভাষার সম্মান রক্ষায় সংগ্রামী। 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে লেখক দুরন্ত-দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করেছেন। অটল সাধনার প্রতীক যৌবন সকল সংস্কারের বেড়াজাল অতিক্রম করে নতুন স্বপ্নময় মুক্ত জীবনের পথে এগিয়ে যায়।
উদ্দীপকের ছাত্রজনতার কর্মকান্ডে আলোচ্য প্রবন্ধের তরুণদের প্রাণচঞ্চলতার দিকটি ফুটে উঠলেও 'যৌবনের গান' প্রবন্ধে বর্ণিত বার্ধক্যের জড়তা বিষয়টি প্রকাশ পায়নি। লেখক মনে করেন বার্ধক্যকে বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। বয়সে তরুণ হয়েও সংস্কারাচ্ছন্ন মনোভাব, ভীরুতা, পশ্চাৎপদময়তা এসব বৈশিষ্ট্য বার্ধক্যে উপনীত করতে পারে যুবসমাজকে। তাই সকল সংস্কারকে পেছনে ফেলে নতুনত্বকে স্বাগত জানানোর উদাত্ত আহ্বান তাঁর। এদিকটি উদ্দীপকে অনুপস্থিত থাকায়, উদ্দীপকটি 'যৌবনের গান' প্রবন্ধের লেখকের মনোভাব পুরোপুরি ধারণ করতে পারেনি।