A. Nayanㅤ
A. Nayan
18 Oct 2026 (1 week ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘ভূমিরূপ ও বৈশিষ্ট্য:’ক’-…’ ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ২০২৫ – পৃথিবীর গঠন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ মানবিক📚 বই ভূগোল📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ ভূগোল🧩 অধ্যায় ২য় অধ্যায় — পৃথিবীর গঠন🔢 সৃজনশীল নং ২০🏢 প্রতিষ্ঠান ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর📅 সাল ২০২৫⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

ভূমিরূপ ও বৈশিষ্ট্য:
‘ক’- ভাঁজই হচ্ছে এর প্রধান বৈশিষ্ট্য
‘খ’- দেখতে অনেকটা মোচাকৃতির

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ২

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

অশ্বমন্ডলের উপরিভাগে অবস্থিত পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণই হলো ভূত্বক।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

পাত সঞ্চালন এবং ভূআলোড়নের সময় কখনো কখনো ভূপৃষ্ঠের ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি তাদের মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত নিম্ন স্থানসমূহকে ঊর্ধ্বে তুলে আনে এবং মালভূমিতে পরিণত করে। এভাবে গঠিত মালভূমিগুলো পর্বত বেষ্টিত থাকে বলে তাদের পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি বলে। যেমন- তিব্বতের মালভূমি পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'খ' দ্বারা আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বতকে বোঝানো হয়েছে। উক্ত ভূমিরূপের গঠন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-
ভূত্বকের ফাটল বা ছিদ্রপথের মাধ্যমে ভূঅভ্যন্তরের গলিত লাভা, ধুম, ভস্ম প্রবলবেগে ভূপৃষ্ঠে এসে উপনীত হয় এবং ফাটল বা ছিদ্রপথের চারদিকে সঞ্চিত হয়ে পর্বত গঠন করে। এরূপে গঠিত পর্বতকে আগ্নে পর্বত বলে। প্রকৃতপক্ষে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে এ পর্বতের সৃষ্টি হয় বলে একে আগ্নেয় পর্বত বলে।
আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বতের বৈশিষ্ট্য:
ⅰ.. গলিত সঞ্চিত লাভা এ পর্বতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
ii. বিস্ফোরক প্রকৃতির আগ্নেয় পর্বত অনেকটা শঙ্কু বা মোচাকৃতির হয়ে থাকে।
iii. উৎক্ষিপ্ত পদার্থের সাথে গ্যাসীয় পদার্থ বেশি থাকলে এবং লাভা অম্লধর্মী হলে পর্বতের ঢাল খাড়া, উচ্চতা বেশি হয়।
iv. একটি আগ্নেয় পর্বত একাধিক সময়কালে অগ্ন্যুৎপাতের মাধ্যমে ধীরে ধীরে উঁচু হয়ে থাকে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' দ্বারা ভঙ্গিল পর্বত এবং 'খ' দ্বারা আগ্নেয় পর্বতকে বোঝানো হয়েছে। উক্ত ভূমিরূপদ্বয়ের গঠনগত বৈশিষ্ট্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-
ভঙ্গিল পর্বত: অতীতে স্থলভাগের উপরিভাগ নানা প্রকার শক্তি দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে বাহিত পদার্থগুলো সমুদ্রের তলে তলানিরূপে সঞ্চিত হয়। পলিগুলো ধীরে ধীরে অধিক পুরু হয়ে জমাট বাঁধে এবং পাললিক শিলার সৃষ্টি করে। ঐ পাললিক শিলাস্তরে সামুদ্রিক এবং মহাদেশীয় পাতগুলো পরিচলন স্রোতের প্রভাবে গতিশীল হয়ে প্রবল পার্শ্বচাপের সৃষ্টি করে। এর ফলে কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে ভাঁজ/ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি করে। এটি নরম পাললিক শিলায় গঠিত। এ পর্বতে অনেক শৃঙ্গ থাকে। এ ধরনের পর্বতে দীর্ঘ চ্যুতিরেখা দেখা যায়। এ শ্রেণির পর্বতের ঢাল ধীরে ধীরে খাড়া হয়ে থাকে। এ পর্বতের বিভিন্ন স্থানে জীবাশ্ম পাওয়া যায়।
অন্যদিকে আগ্নেয়/সঞ্চয়জাত গঠন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের মাধ্যমে। আগ্নেয়/সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। বিস্ফোরক শ্রেণির আগ্নেয় পর্বত অনেকটা শঙ্কু বা মোচাকৃতির হয়ে থাকে। এখানকার ভূমি ভূঅভ্যন্তরের গলিত লাভা, ধুম, ভস্ম প্রভৃতি দ্বারা গঠিত। এখানকার পর্বতের ঢাল খুব বেশি খাড়া।
সুতরাং দেখা যায় যে, দুটি ভূমিরূপ দুভাবে গঠিত হওয়ায় সৃষ্টিগত তারতম্য পরিলক্ষিত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘ভূমিরূপ ও বৈশিষ্ট্য:’ক’-…’ ক্যান্টনমেন্ট কলেজ ২০২৫ – পৃথিবীর গঠন, ভূগোল, ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি)”