A. Nayanㅤ
A. Nayan
10 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘X এবং Y…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই রসায়ন📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ রসায়ন🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন🔢 সৃজনশীল নং ১৮🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০১৯⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

X এবং Y মৌলের বহিঃস্থ স্তরের ইলেকট্রনের কোয়ান্টাম সংখ্যা।

নিম্নরূপ–

লিগ্যান্ড NH3, X ও Y এর সাথে [X(NH3)6]+ ও [Y(NH3)6]2

আয়ন গঠন করে।

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

কোন যৌগের উপাদান মৌলসমূহ থেকে সে যৌগের এক মোল উৎপাদনকালে এনথালপির যে পরিবর্তন ঘটে, তাকে যৌগটির গঠন তাপ বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ভিনেগার একটি প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক এক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের কৌশল। এটি অম্লীয় দ্রবণ হওয়ায় এর সাহায্যে সংরক্ষিত খাদ্য সামগ্রীর দ্রবণে pH এর মান কমিয়ে দেয় (১ হতে 4 এর নিচে)। ফলে অণুজীব বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর ও বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ পায় না। ভিনেগারে 5% ইথানয়িক এসিড থাকলে এর pH এর মান প্রায় 2.4 হয় যা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। তবে ভিনেগারের সাথে লবণ প্রয়োগ করলে খাদ্য সংরক্ষণ আরও কার্যকরী হয়। কারণ লবণ যোগ করলে খাদ্য সামগ্রী হতে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে আসে। এতে করে ভিনেগারের ঘনমাত্রা কমে যাবার সম্ভাবনা থাকে না। এভাবে ভিনেগার ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

ইলেকট্রন বিন্যাস অনুযায়ী Y মৌলটি হলো Fe। সুতরাং Fe, d ব্লক মৌল এবং অবস্থান্তর মৌলের বৈশিষ্ট্যানুসারে এর সুস্থিত আয়নের ইলেকট্রন বিন্যাসে d অরবিটাল আংশিক পূর্ণ থাকে। তাই একই সাথে Fe অবস্থান্তর মৌলও। আমরা জানি যে, সাধারণত অবস্থান্তর মৌলসমূহ রঙিন যৌগ গঠন করে।

Fe- এ সাধারণভাবে পাঁচটি d অরবিটাল সমশক্তিস্তরে অবস্থান করে। একে ডিজেনারেট অবস্থা বলা হয়। কিন্তু যখনই কোনো লিগ্যান্ড যুক্ত হওয়ার জন্য এই d অরবিটাল এর নিকটে আসে তখন d অরবিটাল বর্তমান ইলেকট্রন ও লিগ্যান্ডের নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন জোড়ের মধ্যে বিকর্ষন ঘটে। এ বিকর্ষণ বলের প্রভাবে d অরবিটাল এর মধ্যে শক্তির পার্থক্য ঘটে এবং নন-ডিজেনারেট অবস্থার সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় শক্তির পার্থকা (AE) ঘটে। এ AE এর মান যদি দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সীমার মধ্যে পড়ে, তবে d অরবিটাল এর বিজোড় ইলেকট্রন ঐ আলো শোষণ করে। আলোর অবশিষ্ট তরঙ্গ Fe এর আয়ন দ্বারা শোষিত হয় এবং এর সমপূরক আলো বিকিরিত হয়। বিকিরিত সম্পূরক আলোর বর্ণটিই হবে  যৌগটির বর্ণ। আর এভাবেই সৃষ্ট শক্তির পার্থক্য যখন দৃশ্যমান আলোর সীমার মধ্যে থাকে এবং অবশিষ্ট আলো দ্বারা শোষিত আয়ন যখন বর্ণের সম্পূরক হয় তখনই প্রদত্ত যৌগ বর্ণ প্রদর্শন করে। তাই Fe রঙিন যৌগ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘X এবং Y…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯ – মৌলের পর্যাবৃত্তিক ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন, রসায়ন, রসায়ন ১ম পত্র (এইচএসসি)”