A. Nayanㅤ
A. Nayan
12 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘’X’ এক ধরনের…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২১ – টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ১ম পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৮ম অধ্যায় — টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র🔢 সৃজনশীল নং ১৩🏫 বোর্ড চট্টগ্রাম বোর্ড📅 সাল ২০২১⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

‘X’ এক ধরনের টিস্যু যা ‘Y’ টিস্যু সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করে। ‘Z’ এক ধরনের বান্ডল যা ‘Y’ এর সমন্বয়ে গঠিত। 

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১ম পত্র · অধ্যায় ৮

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

 কাণ্ড ও মূলের কেন্দ্রে অবস্থিত পেরিসাইকল স্তর থেকে শুরু করে। পরিবহন টিস্যুসহ কেন্দ্রীয় অংশই হলো স্টিলি।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্ভিদের কাণ্ড বা পাতার বহিঃত্বক সংলগ্ন কিউটিকলের মাধ্যমে প্রস্বেদন প্রক্রিয়াকে কিউটিকুলার বা ত্বকীয় প্রস্বেদন বলে। উদ্ভিদের কাণ্ড বা পাতার ত্বকে স্নেহ বা মোমজাতীয় পদার্থ বা কিউটিনের যে পাতলা স্তরের আবরণ থাকে তাকে কিউটিকল বলে। কিউটিকল মোমজাতীয় পদার্থ দ্বারা গঠিত হওয়ায় পানি নিরোধী হয় এবং প্রস্বেদন রোধ করে। কিন্তু কিউটিকলের মাঝে মাঝে সূক্ষ্ম ফাটল সৃষ্টি হলে অথবা কোনো কোনো উদ্ভিদের ত্বকে কিউটিকল স্তরটি অত্যন্ত পাতলা। হলে এই অংশগুলো দিয়ে কিছু পরিমাণ পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায় অর্থাৎ প্রস্বেদন হয়। যদিও পত্ররন্দ্রীয় প্রস্বেদনের তুলনায় এর পরিমাণ অনেক কম। তথাপি অত্যধিক শুষ্কাবস্থায় যখন পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায় তখনও ত্বকীয় প্রস্বেদন চলতে পারে। মোট প্রস্বেদনের শতকরা ৫ – ১০ ভাগ কিউটিকল বা তৃর্কীয় প্রস্বেদনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত “X” দ্বারা ভাজক টিস্যুকে বুঝানো হয়েছে। উদ্ভিদ কোন অংশে অবস্থিত তার উপর নির্ভর করে ভাজক টিস্যু ৩ প্রকার। যথা: ১. শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু : মূল, কাণ্ড বা এদের শাখা-প্রশাখার শীর্ষে অবস্থিত ভাজক টিস্যুকেই শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু বলে। ২. ইন্টারক্যালারি ভাজক টিস্যু : দুটি স্থায়ী টিস্যুর মাঝখানে অবস্থিত ভাজক টিস্যুকে ইন্টারক্যালারি ভাজক টিস্যু বলে। অঙ্গসমূহের বৃদ্ধির সময় শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু হতে কিয়দাংশ পৃথক হয়ে এ প্রকার ভাজক টিস্যু সৃষ্টি করে। এরা পত্রমূলে, মধ্যপর্বের গোড়ায় থাকতে পারে। ৩. পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু : মূল বা কান্ডের পার্শ্ব বরাবর লম্বালম্বিভাবে অবস্থিত টিস্যুকে পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু বলে। এ প্রকার টিস্যুও দুটি স্থায়ী টিস্যুর মাঝখানে অবস্থিত। এরা স্থায়ী টিস্যু হতে উৎপন্ন হয়, তাই এরা সেকেন্ডারি ভাজক টিস্যু। এদের বিভাজনের ফলে মূল ও কাণ্ডের বৃদ্ধি প্রস্থে হয়ে থাকে। কর্ক ক্যাম্বিয়াম, ইন্টারফেসিকুলার ক্যাম্বিয়াম প্রভৃতি পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যুর উদাহরণ।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত “Z” দ্বারা ভাস্কুলার বান্ডল বা পরিবহন টিস্যুতন্ত্রকে বুঝানো হয়েছে যা “Y” অর্থাৎ জাইলেম ও ফ্লোয়েমের সমন্বয়ে গঠিত। মূল ও কাণ্ড শনাক্তকরণে পরিবহন টিস্যুতন্ত্র বা ভাস্কুলার বান্ডলের ভূমিকা অপরিসীম। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডে জাইলেম ও ফ্লোয়েম একই ব্যাসার্ধের উপর যুক্ত অবস্থায় থাকে এবং এদের মাঝে ক্যাম্বিয়াম দেখা যায়। এ ধরনের গঠনকে বলা হয় মুক্ত সমপার্শ্বীয়। একবীজপত্রী উদ্ভিদ কান্ডে জাইলেম ও ফ্লোয়েম একই ব্যাসার্ধের উপর যুক্ত অবস্থায় থাকে, তবে এদের মাঝে কোনো ক্যাম্বিয়াম থাকে না। এ ধরনের গঠনকে বলা হয়। বদ্ধ সমপার্শ্বীয়। অনেক সময় দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ কাণ্ডে জাইলেমের উভয় পার্শ্বে ফ্লোয়েম অবস্থান করে এবং জাইলেমের উভয় পার্শ্বে জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মাঝে ক্যাম্বিয়াম দেখা যায়। এ ধরনের গঠনকে বলা হয় মুক্ত সমদ্বিপার্শ্বীয়। কুমড়া কাণ্ডে এ ধরনের গঠন দেখা যায়। টেরিডোফাইটা বিভাগের উদ্ভিদ কাণ্ডে কখনও জাইলেমকে ঘিরে ফ্লোয়েম, আবার কখনও ফ্লোয়েমকে ঘিরে জাইলেম অবস্থান করে। একবীজপত্রী উদ্ভিদ কাণ্ডে জাইলেম-ফ্লোয়েমের গুচ্ছ বিক্ষিপ্তভাবে অবস্থান করে, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ কান্ডে এরা বৃত্তাকারে অবস্থান করে। উদ্ভিদ মূলে জাইলেম ও ফ্লোয়েম একত্রে বান্ডল গঠন না করে পৃথক পৃথকভাবে সজ্জিত থাকে। এ ধরনের গঠনকে অরীয় প্রকৃতির গঠন বলে। সুতরাং বিশ্লেষণমূলক আলোচনা থেকে সহজেই বোঝা যায়, জাইলেম ও ফ্লোয়েমের অবস্থান ও গঠন উদ্ভিদের অংশভেদে (যেমন- কাণ্ড ও মূল) ভিন্ন। 

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘’X’ এক ধরনের…’ চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২১ – টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (এইচএসসি)”