A. Nayanㅤ
A. Nayan
13 Oct 2026 (2 weeks ago)
Dhaka, Narayanganj

সৃজনশীলঃ ‘X – গ্যাস্ট্রিক…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)


📘 ক্লাস ১১শ–১২শ🎓 গ্রুপ বিজ্ঞান📚 বই জীববিজ্ঞান📖 বিষয় ২য় পত্র📂 বিভাগ জীববিজ্ঞান🧩 অধ্যায় ৩য় অধ্যায় — পরিপাক ও শোষণ🔢 সৃজনশীল নং ৩৪🏫 বোর্ড দিনাজপুর বোর্ড📅 সাল ২০২৩⭐ গুরুত্ব ★★★★★
🔊 স্মার্ট বাংলা Text Readerসম্পূর্ণ বাক্য highlight · প্রশ্নের পর উত্তর · সরাসরি seek
০%
ভয়েস লোড হচ্ছে।

X – গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি

Y- ওজন = 30.00-34.99 kg/m2

✦ PREMIUM STUDY EXPERIENCE

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

২য় পত্র · অধ্যায় ৩

✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

বৃহদন্ত্রের সম্মুখের জেজুনাম সংলগ্ন স্ফীত গোল অংশটিকে সিকাম বলে।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

যে প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ থেকে গ্লাইকোজেন সংশ্লেষিত হয় তাকে গ্লাইকোজেনেসিস বলে। রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বেড়ে যকৃৎ অতিরিক্ত গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেনেসিস প্রক্রিয়ায় গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা রাখে। এই প্রক্রিয়াটি ইনসুলিনের উপস্থিতিতে উদ্দীপ্ত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'X' হলো গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি। গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি একধরনের নলাকার গ্রন্থি এবং চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত। প্রত্যেক ধরনের কোষের ক্ষরণ পৃথক। সম্মিলিতভাবে গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থির রসকে গ্যাস্ট্রিক জুস বলে। নিচে গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থির কোষগুলোর নাম ও কাজ ব্যাখ্যা করা হলো-

১. অক্সিনটিক কোষ: অক্সিনটিক কোষের অপর নাম প্যারাইটাল কোষ ৷ হাইড্রোক্লোরিক এসিড ক্ষরণ করাই এর কাজ।

২. মিউকাস কোষ: এ ধরনের কোষ মিউকাস উৎপন্ন করে।

৩. আর্জেন্টাফিন কোষ: এ ধরনের কোষ পাকস্থলিতে গ্যাস্ট্রিক ইনট্রিনসিক ফ্যাক্টর উৎপন্ন করে এবং ভিটামিন বি১২ শোষণে সহায়তা করে ।

৪. জাইমোজেনিক কোষ: এ কোষের অপর নাম পেপটিক কোষ বা চীফ কোষ। নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেন হাইড্রোক্লোরিক এসিডের প্রভাবে সক্রিয় পেপসিনে পরিণত হয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
✦উত্তর ও বিশ্লেষণANSWER

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'Y'দ্বারা ১ম শ্রেণির স্থূলতাকে বুঝানো হয়েছে। এখানে 'Y'  এর ওজন অর্থাৎ BMI=30.00-34.99 kg/m2 সাধারণত একজন মানুষের মাএ BMI=30.00 kg/m2 এর বেশি হলে সে স্থূলতাজনিত সমস্যায় ভূগছে বলে ধরা হয়। স্থুলতার জন্য যে শুধমাত্র অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণই দায়ী তা নয় আরও অনেক কারণে তা বাড়তে পারে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

১. জীবনযাত্রা প্রণালী: অলস জীবন যাপন করা, কায়িক পরিশ্রম না করা, ডেস্ক জব করা।

২. শিক্ষার অভাব: স্থূলতার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে না জানা, ভালো খাদ্য সম্পর্কে জ্ঞান না থাকা, বাচ্চাদের মাত্রাতিরিক্ত খাওয়ানো, খাবারের প্রতি আকর্ষণ।

৩. নিদ্রাহীনতা: রাতে সাত ঘণ্টার কম ঘুম। কারণ ঘুম কম হলে খাবারের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায় অতিরিক্ত ক্ষুধা থেকে।

৪. ঔষুধ সেবন: কিছু ওষুধ যেমন- স্টেরয়েড, বিষন্নতা ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণকারী ওষুধ নিয়মিত সেবনে স্থুলতার প্রবণতা দেখা যায়।

৫. জিনগত সমস্যা: পারিবারিক হিস্ট্রি ও জিনগত সমস্যার কারণে স্থূলতা দেখা দেয়।

সুতরাং উপরে বর্ণিত স্থূলতার কারণগুলো বিশ্লেষণ করে বলা যায় তা বাড়ার জন্য শুধুমাত্র অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণই দায়ী নয়।

০%
প্রথমে প্রশ্ন, তারপর উত্তর শুনতে চাপ দিন।
0 Views
No Comments
Share
0
No comments to “সৃজনশীলঃ ‘X – গ্যাস্ট্রিক…’ দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩ – পরিপাক ও শোষণ, জীববিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (এইচএসসি)”