[X, Y, Z প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
ডোবেরাইনারের ত্রয়ীসূত্র হলো- "পারমাণবিক ভর অনুসারে তিনটি করে মৌলকে সাজালে দ্বিতীয় মৌলের পারমাণবিক ভর প্রথম ও তৃতীয় মৌলের পারমাণবিক ভরের যোগফলের অর্ধেক বা তার কাছাকাছি"।
হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী। এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ। হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়।
যেমন Cl এর সাথে Na ধাতু যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ বা খাদ্য লবণ ( NaCl ) গঠিত হয়। যেমন,
এজন্যই ক্লোরিন একটি হ্যালোজেন মৌল।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, Y মৌলটি ম্যাগনেশিয়াম (Mg)।Mg এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
পর্যায় নির্ণয় : ইলেকট্রন বিন্যাস তিনটি স্তরে বিন্যাস্ত হওয়ায় Mg ৩য় পর্যায়ের মৌল ।
গ্রুপ নির্ণয় : সর্বশেষ ইলেকট্রন s অরবিটালে প্রবেশ করেছে এবং পূর্বের অরবিটালে d অনুপস্থিত, এজন্য যোজ্যতা স্তরের ইলেকট্রনই গ্রুপ নির্দেশ করবে।
সুতরাং গ্রুপ = 2, অর্থাৎ Mg মৌল পর্যায় সারণির ৩য় শক্তিস্তরের গ্রুপ-2 এর মৌল ।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, X, Y, Z মৌল, তিনটি যথাক্রমে Na, Mg, Al; যেখানে মৌলগুলোর পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 11, 12, 13।
নিচে এদের পারমাণবিক ব্যাসার্ধের ক্রম বিশ্লেষণ করা হলো-
মৌলত্রয়ের ইলেকট্রন বিন্যাস,
দেখা যাচ্ছে, মৌল 3টি ৩য় পর্যায় তথা একই পর্যায়ের মৌল। জানা আছে, পর্যায় সারণিতে একটি পর্যায়ের যতই বাম থেকে ডান দিকে অগ্রসর হওয়া যায়, ততই মৌলসমূহের বহিঃস্থ শক্তিস্তরে একটি করে ইলেকট্রন সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। যদিও কক্ষপথ সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে। ফলে যোজনী ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াস কর্তৃক অধিকতর দৃঢ়ভাবে আকৃষ্ট হয়, যার জন্য পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ক্রমশ হ্রাস পায়।
ফলে পরমাণুর আকার ছোট হয়।
দেখা যাচ্ছে, Na, Mg ও Al এর মধ্যে Al সবচেয়ে ডানে অবস্থিত বলে এটি আকারে সবচেয়ে ছোট এবং Na সবচেয়ে বামে অবস্থিত বলে এটি আকারে সবচেয়ে বড়।
সুতরাং, মৌল তিনটির পারমাণবিক ব্যাসার্ধের ক্রম: Na > Mg > Al।
