ও চারটি মৌল যাদের পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে ও
সরু ছিদ্রপথে কোনো গ্যাসের অণুসমূহের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে।
যে পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় অসংখ্য মনোমার অণু পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে বৃহৎ অণু সৃষ্টি করে তাকে যুত পলিমার বলে।
পলিপ্রোপিন হলো প্রোপিনের পলিমার। প্রোপিনকে টাইটানিয়াম ক্লোরাইডের উপস্থিতিতে 140 atm চাপে ও তাপমাত্রায়, উত্তপ্ত করলে পলিপ্রোপিন উৎপন্ন হয়। যা একটি যুত পলিমার। তাই পলিপ্রোপিনকে যুত পলিমার বলা হয়।
উদ্দীপকের 'Z' মৌলটি হলো ভ্যানাডিয়াম (V)।
V-এর ইলেকট্রন বিন্যাস হলো-
পর্যায় সারণিতে মৌলের অবস্থান নির্ধারণ:
ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায়, মৌলটির ইলেকট্রনসমূহ 4টি প্রধান শক্তিস্তরে বিন্যস্ত। সুতরাং মৌলটি পর্যায় সারণির ৪র্থ পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।
পর্যায় সারণিতে মৌলের গ্রুপ সংখ্যা নির্ধারণ :
ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায়, মৌলটি d block মৌল।
সুতরাং V এর গ্রুপ = d অরবিটালের মোট ইলেকট্রন সংখ্যা + যোজ্যতাস্তরের মোট ইলেকট্রন সংখ্যা ।
সুতরাং ভ্যানাডিয়াম মৌলটি পর্যায় সারণির গ্রুপ-5 এ অবস্থিত।
অতএব, ভ্যানাডিয়াম মৌলটি পর্যায় সারণির ৪র্থ পর্যায়ের গ্রুপ-5 এ অবস্থিত।
উদ্দীপকের ও মৌল তিনটি হলো যথাক্রমে ক্লোরিন, ক্যালসিয়াম ও জিঙ্ক। ও মৌল তিনটির মধ্যে পর্যায় সারণির তৃতীয় পর্যায়ে এবং ও পর্যায় সারণির ৪র্থ পর্যায়ে অবস্থিত। মৌলগুলোর পারমাণবিক আকারের ক্রম নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
আমরা জানি, একই পর্যায়ের বাম হতে ডানে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে মৌলের পারমাণবিক আকার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। কারণ বাম থেকে ডানে মৌলের নিউক্লিয়াসে ক্রমান্বয়ে একটি করে প্রোটন বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং বহিঃস্থ শক্তিস্তরে অনুরূপভাবে ইলেকট্রন সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে কিন্তু ইলেকট্রনের স্তরের কোনো পরিবর্তন হয় না। ফলে বহিঃস্থ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের দিকে বেশি আকৃষ্ট হয় এবং সেই সঙ্গে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। আবার পর্যায় সারণির একই গ্রুপে অবস্থিত মৌলসমূহের পারমাণবিক আকার পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপর থেকে নিচে বৃদ্ধি পায়। কারণ একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে পরমাণুর শক্তিস্তর বৃদ্ধি পায়। ফলে পরমাণুর আকার বৃদ্ধি পায়। অতএব মৌল তিনটির পারমাণবিক আকারের ক্রম হলো,
