[X, Y, Z প্রচলিত মৌলের প্রতীক নয়।]
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের গ্রাম আণবিক ভর বা মোল সংখ্যাকে ঐ দ্রবণের মোলারিটি বলে।
জৈব এবং অজৈব যৌগের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:
উদ্দীপকের তথ্যমতে, Y ও Z মৌলদ্বয় যথাক্রমে CI (17) ও Na(11); যাদের পারমাণবিক ভর যথাক্রমে 35 ও 23। Cl এর আয়নীকরণ শক্তি Na অপেক্ষা বেশি। নিচে এর কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-
জানা আছে, যেকোনো পর্যায়ে যতই ডানদিকে যাওয়া যায় অর্থাৎ পারমাণবিক সংখ্যা যতই বাড়ে আয়নিকরণ শক্তি ততই বেড়ে যায়। কারণ পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে কেন্দ্রের সাথে সর্ববহিঃস্থ ইলেকট্রনের আকর্ষণ বেড়ে যায়। ফলে সর্ববহিঃস্থ একটি ইলেকট্রন অপসারণ করতে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ আয়নিকরণ শক্তির মান বেশি হয়।
উদ্দীপকের Na ও CI এর ইলেকট্রন বিন্যাস-
(৩য় পর্যায়, গ্রুপ-1)
(৩য় পর্যায়, গ্রুপ-17)
দেখা যাচ্ছে, Na মৌলটি ৩য় পর্যায়ের সর্ববামে এবং CI মৌলটি ৩য় পর্যায়ের সর্বডানে অবস্থিত। সুতরাং, CI মৌলটি সর্বডানে অবস্থিত বলে CI এর আয়নীকরণ শক্তি Na অপেক্ষা বেশি হয়।
উদ্দীপকের তথ্যমতে, X, Y, Z মৌলত্রয় হলো যথাক্রমে C, Cl ও Na । এজন্য ও ZY যৌগদ্বয় যথাক্রমে ও NaCl । NaCl পানিতে দ্রবণীয় হলেও পানিতে অদ্রবণীয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
NaCl এর কেলাস দ্রবীভূত করার সময় পানির ঋণাঅন্ম মেরু NaCl এর ধনাত্মক আয়নের ( ) দিকে এবং পানির ধনাত্মক মেরু NaCl এর ঋণাত্মক আয়নের ( ) দিকে আবর্তিত হয়। ফলে NaCl এর ও আয়নসমূহ পানি অণু দ্বারা আকর্ষিত হয় এবং কেলাস ল্যাটিস থেকে ক্রমশ দ্রবণে চলে আসে। ও আয়নসমূহ দ্রবণে পুরোপুরি মুক্ত থাকে না। ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নের সাথে পানি অণুর সংযোগের সময় নির্গত শক্তিকে হাইড্রেশন শক্তি বলে। এ নির্গত তাপ শক্তির প্রভাবে NaCl এর কেলাস-ল্যাটিস থেকে আয়নগুলো পৃথক হয়ে পানিতে দ্রবীভূত হয়ে থাকে।
অপরদিকে, একটি অপোলার যৌগ। এটি বিয়োজিত হয়ে ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন তৈরি করতে পারে না। ফলে এটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না।
সুতরাং দেখা যায়, NaCl যৌগটি পানিতে দ্রবীভূত হলেও যৌগটি পানিতে দ্রবীভূত হয় ন্না।
